শীতের ঠাণ্ডায় খুব সহজেই এইভাবে একবার বানিয়ে দেখুন দুর্দান্ত স্বাদের চুষি পিঠা, খেলে স্বাদ লেগে থাকবে বহুদিন পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদন: শীতকাল মানেই কিন্তু পিঠে পুলির সিজন। প্রায় প্রতিদিনই নিত্যনতুন পিঠে পুলি বা পায়েসের রেসিপি এই সময় অনেকের বাড়িতে তৈরি করা হয়ে থাকে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের দিকগুলোতে তো বাড়ির বড়রা এরকম রেসিপি গুলো তৈরি করতে খুবই পছন্দ করে থাকেন।। শহরাঞ্চলে যদিও আজকাল খুব একটা বাড়ি বাড়ি পিঠেপুলির প্রচলন নেই।

তবে যারা এই রেসিপিগুলো খেতে পছন্দ করেন তাদের জন্য একেবারে গ্রাম্য পদ্ধতিতে এক ঠাকুমার হাতে বানানো চুষি পিঠার রেসিপি আপনাদের সাথে শেয়ার করে নেব। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে উঠেছিল এই ঠাকুমার একটি রান্নার ভিডিও। এখান থেকেই স্টেপ বাই স্টেপ আপনাদের জন্য চুষি পিঠা বানানোর পদ্ধতি শেয়ার করা হলো। চলুন তাহলে আর সময় নষ্ট না করে আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনটি শুরু করা যাক।

প্রথমেই চুলায় একটা কড়াই বসিয়ে আপনাদের সেখানে পরিমাণ মতো জল দিয়ে দিতে হবে। সামান্য পরিমাণ লবণ যোগ করে জলটাকে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। জল ফুটে গেলে এর মধ্যে চালের গুঁড়ো যোগ করে দিন। এই ডো কিন্তু খুব বেশি শক্ত বা নরম করা যাবে না।

এবার এটাকে নামিয়ে কিছুক্ষণ হাত দিয়ে মথে নিতে হবে তারপর একটা সুতির কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। কিছুক্ষণ পর এই ডো থেকে একেবারে সরু করে লেচি কেটে আপনাদের ধীরে ধীরে ছোট ছোট চুষি তৈরি করে নিতে হবে। কিভাবে তৈরি করবেন তার জন্য আপনারা প্রতিবেদনের সঙ্গে থাকা ভিডিওটা এক ঝলক দেখে নিতে পারেন।

এবার একটা অন্য পাত্র বা মাটি হাড়ির মধ্যে আপনাদের পরিমাণ মতো দুধ নিয়ে তা ভালো করে গরম করে নিতে হবে। দুধ গরম হয়ে গেলে এর মধ্যে যোগ করতে হবে খেজুরের পাটালি। ভালোভাবে নাড়াচাড়া করে এটাকে মিশিয়ে নিন। তারপর এর মধ্যে আপনাদের যোগ করতে হবে পরিমাণ মতো চিনি। ভালোভাবে মিশিয়ে এর মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়টা বড় এলাচ যোগ করুন।

কিছুক্ষণ হাতা দিয়ে ভালো করে মিশ্রণটাকে আপনাদের নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। এবার ধীরে ধীরে যে চুষি গুলো বানিয়ে রেখেছিলেন সেটাকে দুধের এই মিশ্রণের মধ্যে দিয়ে দিন। যতক্ষণ পর্যন্ত না দুধের মিশ্রণের সাথে এই চুষি গুলো শুকিয়ে যাচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত একটু নাড়াচাড়া করে আপনাদের মিশিয়ে নিতে হবে। ব্যাস তাহলেই এই সুস্বাদু পিঠের রেসিপি প্রস্তুত হয়ে গেল। সহজেই আপনারা এটাকে পরিবেশন করতে পারেন।

Back to top button