কাপড় ইস্ত্রি করতে গিয়ে পুড়ে যাবে না আর! কাপড়ও থাকবে নতুনের মতো, শুধু ট্রাই করুন এই দুর্দান্ত গোপন ট্রিকস

নিজস্ব প্রতিবেদন: নতুন বছরের শুরুর দিক থেকেই রীতিমতো হাড় কাপানো ঠান্ডা পড়ে গিয়েছে। শীতকালীন আমেজ এর মাঝেই জুবুথুবু অবস্থা হয়ে গিয়েছে সাধারণ জনগণের। এই সময় কাজকর্ম কিন্তু করতে একেবারেই ভালো লাগেনা। শরীরে রীতিমত আলস্যতা চলে আসে। তবে সংসারের দৈনন্দিন কাজকর্ম কি আর ছেড়ে দেওয়া যায়! আজ তাই বিশেষ কিছু টিপস আপনাদের সাথে শেয়ার করে নিতে চলেছি। আশা করছি শীতের দিনে শেয়ার করা এই সমস্ত টিপস আপনার দৈনন্দিন কাজে অনেকটাই সহায়তা করবে।

১) কমবেশি আমাদের প্রত্যেকের বাড়িতেই তুলসী গাছ রয়েছে। শীতকালীন সময়ে ওষুধ হিসেবে এর ভূমিকা রয়েছে ব্যাপক। এই সময় গাছের যত্ন নিতে গিয়ে অনেকেই কিন্তু কাটিং এর কাজ করে থাকেন। ভুল করেও কিন্তু তুলসী গাছের নতুন কুশি এই সময় কাটবেন না। এই সময় আপনাদের অবশ্যই যে সমস্ত পাতাগুলো ঝরে পড়ার মতো অবস্থা হয়ে গেছে বা বয়স হয়ে গেছে সেগুলোকেই কাটিং করতে হবে। অনেক সময় অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে তুলসী গাছ কিন্তু নেতিয়ে পড়ে। তাই এমন জায়গায় এটাকে রাখবেন যেখানে রোদ আর ছায়া দুটোই থাকে। চাইলে আপনারা কোন কাপড় দিয়েও ঢেকে দিতে পারেন।

২) শীতকালে আলসেমির কারণে অনেকেই কিন্তু সঠিক সময়ে খাবার খেতে চান না‌। এই ভুল কিন্তু একেবারেই করবেন না। চেষ্টা করুন শীতকালে ড্রাই ফ্রুট সংগ্রহ করে রাখার। ছোটখাটো খিদের জন্য খুব সহজেই কিন্তু এগুলো বাচ্চা থেকে বড় সকলেই কাজে লাগাতে পারবেন। আপনারা কিন্তু চাইলে ড্রাই ফ্রুটের পাউডার ও বানিয়ে ফেলতে পারেন। এই পাউডার গরম জল বা দুধের সাথে খুব সহজেই বাচ্চাদের খাওয়াতে পারবেন।

৩) আমরা অনেক সময় বাড়িতে অতিরিক্ত সবজি নিয়ে এসে সেগুলো সংরক্ষণ করে রেখে থাকি। কিন্তু দেখবেন সেগুলোর মধ্যে কিন্তু বরফ জমে যায় বা অতিরিক্ত শক্ত হয়ে যায়। শীতকালীন সময়ে আমরা কিন্তু অনেক সময় ফ্রিজের তাপমাত্রা পরিবর্তন করতে ভুলে যাই এবং সেটা গ্রীষ্মকালের মতোই থেকে যায়। তাই অবশ্যই ফ্রিজে যে কোন খাবার বা সবজি রাখার আগে আপনাদের কিন্তু শীতকালের তাপমাত্রা অনুযায়ী টেম্পারেচার চেঞ্জ করে নিতে হবে।

৪) আজকাল বেশিরভাগ বাচ্চা থেকে বড় রাই এমন ধরনের টি শার্ট ব্যবহার করে থাকেন যার মধ্যে রবারের প্রিন্ট থাকে। এগুলো আয়রন করার সময় কিন্তু খারাপ হয়ে যেতে পারে। এই সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে আপনারা হয় জামা কাপড় উল্টো করে আয়রন করে নিতে পারেন, অথবা এগুলোর উপর একটা পেপার রেখে আয়রনের কাজ করে নেবেন। দেখবেন ইস্ত্রি খুব সহজে হয়ে গেছে আর প্রিন্টও খারাপ হয়নি।

৫) বাড়িতে থাকা আয়রনের মধ্যে কিন্তু দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পরে একটা পোড়া দাগ হয়ে যায়। এমনি জামা কাপড় আয়রন করার সময় কোন সমস্যা না হলেও সাদা রংয়ের জামাকাপড় আয়রন করতে গেলে কিন্তু এই দাগগুলো কাপড়ে চলে আসে। এর জন্য সিলভার ফয়েল নিয়ে আপনাদের আয়রনের উপর লাগিয়ে দিতে হবে এবং তারপর নিজের ইচ্ছামত কাজ সেরে ফেলুন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য সিলভার ফয়েল লাগানোর ফলস্বরূপ কিন্তু আপনাকে দুই দিকে আলাদা করে আয়রন করতে হবে না।এর হিটিং করার ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি তাই দুদিকেই আয়রন হয়ে যাবে।

৬) কোন হোয়াইট শার্ট বা বাচ্চাদের স্কুলের ইউনিফর্ম এর গলার কাছে দেখবেন এক ধরনের কালচে ময়লার আস্তরণ পড়ে যায়। বারংবার পরিষ্কার করার পরেও কিন্তু এটা উঠতে চায় না। এটা পরিষ্কার করার জন্য আপনারা নিয়ে নিতে পারেন সামান্য পরিমাণে টুথপেস্ট। ময়লা জায়গাটাকে টুথপেস্ট লাগিয়ে হালকা হাতের রাব করে নেবেন। তারপর একটু জল দিয়ে ধুয়ে নিলেই দেখবেন কেমন চকচক করছে।

Back to top button