বাড়িতে বসেই খুব অল্প পুঁজিতে শুরু করুন এই দুর্দান্ত ব্যবসা! লাভ হবে এতো যে নিয়ে উঠতে পারবেন না

নিজস্ব প্রতিবেদন : বর্তমান সময়ে চাকরি-বাকরি ছেড়ে মানুষ দিন প্রতিদিন ব্যবসায়ের দিকে বেশি পরিমাণে ঝুঁকে চলেছেন। তবে ব্যবসা শুরু করতে গেলে প্রথমেই যে প্রশ্নটি মনের মধ্যে আসে সেটি হল কোন ধরনের ব্যবসা শুরু করলে তা বেশি উপকারী এবং লাভদায়ক হবে। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় ব্যবসা শুরু করার পরেও কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই অত্যন্ত লোকসান হওয়ার কারণে সমস্যা সৃষ্টি হয়।

এর সব থেকে বড় কারণ হচ্ছে ব্যবসা শুরুর আগে সমস্ত দিক ভালোভাবে যাচাই না করে নেওয়া এবং আচমকাই সিদ্ধান্ত নেওয়া। তাই আজকের বিশেষ এই প্রতিবেদনে আমরা এমন একটি ব্যবসা সম্পর্কে আলোচনা করতে চলেছি যা হয়তো আপনাদের অনেকটাই কাজে লাগবে। যদি আপনিও ব্যবসা শুরু করতে আগ্রহী থাকেন সেক্ষেত্রে কিন্তু আমাদের এই প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়তে পারেন।

আজকে যে ব্যবসাটি কথা আমরা বলব সেটি হল স্ক্রিন প্রিন্টিং এর ব্যবসা। আমরা সকলেই জানি আজকাল বিভিন্ন জিনিসপত্রের ক্ষেত্রে প্রিন্টিং এর প্রয়োজন হয়ে থাকে। এবং প্রিন্টিং এর চাহিদা কিন্তু বাজারে অত্যন্ত বেশি। দিন প্রতিদিন এই চাহিদা কিন্তু বেড়েই চলেছে। তাই আপনারা সহজেই এই স্ক্রীন প্রিন্টিং এর কাজ শুরু করতে পারেন।

আসুন জেনে নেওয়া যাক এই স্ক্রিন প্রিন্টিং আসলে কি?স্ক্রীন প্রিন্টিং নামটি পরিচিত শোনালেও আমরা অনেকে জানিনা বিষয়টি আসলে কি।সহজে বলতে গেলে, রং বা কালি একটি স্টেনসিল করা মেশ বা জালির ভেতর দিয়ে প্রবেশ করিয়ে নকশা প্রিন্ট করার পদ্ধতিই হলো স্ক্রীন প্রিন্টিং। এটা প্রিন্টিং জগতে খুবই প্রচলিত একটা পদ্ধতি।

বড় ক্যানভাস, পোস্টার বা চিত্রকর্ম তৈরী করতে স্ক্রীন প্রিন্টিং খুবই কার্যকর। এছাড়া, কাপড় বা টেক্সটাইলে প্রিন্ট করতেও এই পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়। এমনকি, শুধু কাপড় নয়, বরং বিভিন্ন পণ্যের উপর উৎপাদকের নাম, লোগো বা যে কোন কিছু প্রিন্ট করতে স্ক্রীন প্রিন্টিং খুব সুবিধাজনক। অর্থাৎ বুঝতেই পারছেন এইসব জিনিসের বাজারে কতটা চাহিদা রয়েছে। স্ক্রিন প্রিন্টিং করার কিন্তু বিশেষ কিছু কারণও রয়েছে।

স্ক্রীন প্রিন্টের ব্যাপক জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ হচ্ছে এর ছাপ অনেক উজ্জ্বল হয়, এমনকি গাঢ় রংয়ের কাপড়ের উপরও। এছাড়া নকশার কালি বা রং কাপড়ের উপর আলাদা স্তরের সৃষ্টি করে, যা প্রিন্টকে শৈল্পিক করে তোলে। অনেকটা এমবোস প্রিন্ট এর মতো। এই ব্যবসা শুরু করার জন্য কিন্তু আপনার খুব একটা মূলধনের প্রয়োজন হবে না তবে অবশ্যই প্রিন্টিং মেশিন কিনে নিতে হবে প্রথমেই। মোটামুটি বাড়ির কোন একটি ঘরেই আপনারাই কাজ শুরু করতে পারেন এবং কাজ অনুযায়ী অর্ডার নিতে পারেন।

নিকটবর্তী বিভিন্ন ছোটখাট কোম্পানি বা ব্র্যান্ডের থেকে আপনারা এই কাজ শুরু করতে পারেন। ধীরে ধীরে বড় কোন টেন্ডার নিলেই কিন্তু আপনার ব্যবসা বেড়ে উঠবে। এটি এমন একটি ব্যবসার পদ্ধতি যেখানে আপনি অত্যন্ত অল্প সময়ে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন এবং একবার ব্যবসা দাঁড়িয়ে গেলে লাখ লাখ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করতে পারবেন।

Back to top button